---

চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: কে নেবে এর দায়?

চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: কে নেবে এর দায়?

চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: কে নেবে এর দায়?

জুয়েল রানা

 

গ্যাসসিলিন্ডার বিস্ফোরণ কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা আমরা চলতি ২০১৯ সালের গত ২০ ফেব্রুয়ারির রাত ১০ টা ১০ মিনিটের রাজধানীর চকবাজার এলাকার নন্দকুমার দত্ত রোডের শেষ মাথায় চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পাশে ৬৪ নম্বর হোল্ডিংয়ের ওয়াহেদ ম্যানশনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উপলব্ধি করতে পেরেছি। বিস্ফোরণ আসলে কোন শুভ সংবাদ বয়ে আনে না। আর বর্তমান সময়ে তো আমরা নানাবিধ বিস্ফোরণের ঘটনা লক্ষ্য করছি। সিরিয়া নামক দেশটিতে তো পরাশক্তিগুলো সমরাস্ত্রের বিস্ফোরণের ধারা অব্যাহত রাখায় সেখানকার মানুষগুলো ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন শরণার্থী। বর্তমান সময়ে ভয়াবহ এক বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে ভারতের সেন্ট্রাল পুলিশ ফোর্সের গাড়িবহরে আত্নঘাতী হামলা চালানো হয়। এতে বহরের ৭০টি গাড়ির মধ্যে একটি সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রাণ হারায় বাহিনীর অন্তত ৪৪ সদস্য। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাশ্মীর পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে আছে। পাক-ভারত সীমান্তেও হুমকি-ধমকি চলছে। পুলাওয়ামা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্লেমগেমের পাশাপাশি বিচার-বিশ্লেষণও চলছে যত্রতত্র।

গাড়ির গ্যাস-সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত হলেও উচ্চ দহনশীল কেমিক্যালের স্পর্শেই আগুন ভয়াবহ রুপ নেয় চকবাজারে। ফলে এখন প্রশ্ন উঠেছে বিপুল প্রাণহানির সূত্রপাত যখন গ্যাস সিলিন্ডার থেকে, তখন বাসাবাড়ি ও যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাস-সিলিন্ডার কতটা নিরাপদ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক-মহাসড়কের জন্য আশঙ্কাজনক হলো যানবাহনে অনিরাপদ ও মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, বিভিন্ন যানবাহনে যে গ্যাসসিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তার ৭০ ভাগ রি-টেস্টিংয়ের আওতার বাইরে থাকছে। মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার হরহামেশা ব্যবহার হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত পরীক্ষ-নিরীক্ষা না করায় একেকটি গাড়ি যেন একটি বোমা বহন করে চলছে। আজকাল বাসাবাড়িতেও রান্নার কাজে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ব্যবহারও ঝুঁকিমুক্ত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে আসার ফলে বাসাবাড়িতে রান্না-বান্নার কাজে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার বাড়ছে। তবে এর ব্যবহারে দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা প্রয়োজন। কেননা, দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতার বেশ ঘাটতি রয়েছে। ফলে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রতিনিয়ত মানুষ মারা যাচ্ছে। শুধু সিলিন্ডার বিস্ফোরণ নয়, গ্যাস-পাইপলাইনের ত্রুটি থেকেও বিস্ফোরণ ও দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে মানুষ হতাহত হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় এবং বস্তিতে অবৈধভাবে গ্যাস পাইপ সংযোগ নেয়া হয়েছে, এসব সংযোগে কারিগরি ত্রুটি থাকায় দুঘর্টনার আশঙ্কা থাকে।

পাইপ লাইনের লিকেজ থেকেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং মাঝে মধ্যে হতাহতের খবরও পাওয়া যায়। গত ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পাইপ লাইনের লিকেজ বিস্ফোরণে দগ্ধ হয় একই পরিবারের নয়জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস সিলিল্ডার বিস্ফেরণ, পাইপ লাইন বিস্ফোরণ, চুলার ত্রুটির কারণে বিস্ফোরণসহ অন্যান্য কারণে মানুষ হতাহত হচ্ছে। সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের হিসাব থেকে দেখা যায়, গত ২০১৮ সালে এ ধরনের গ্যাস দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৭৮টি। ২০১৭ সালে ৭৯টি, ২০১৬ সালে ১৩১টি এবং ২০১৫ সালে ৮০টি গ্যাস দুর্ঘটনা ঘটেছিল। গ্যাস দুর্ঘটনা থেকে যেন আমাদের মুক্তি নেই। আসলে এ ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও তদারকী প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, গ্যাস সিলিন্ডারের মান নিয়ন্ত্রনের জন্য নিয়োজিত রয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল। তারা অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা কমে আসতে পারে। অন্যথায় দিন যত যাবে, সিলিন্ডার দুর্ঘটনার হারও তত বেড়ে যেতে পারে। ফলে প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়বে। আমরা কি এমন আশঙ্কা দূর করতে পারি না?

রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৮০ জনের মৃত্যুসহ যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা দেশবাসীকে শুধু ভীষণভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত করেনি, যথেষ্ট ক্ষুব্ধও করেছে। মানুষের ক্ষুব্ধ হওয়ার একটি প্রধান কারণ হিসেবে প্রাধান্যে এসেছে সরকার তথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসিনতা এবং ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ। বলা হচ্ছে, মূলত এসব কারণেই চকবাজার এবং তার সংলগ্ন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থের মজুত গড়ে তোলা এবং অবৈধ ব্যবসা চালানো সম্ভব হচ্ছিল। অবস্থা দেখে মনে হয়েছে, পুরনো ঢাকার ওই অঞ্চলের সম্পূর্ণটুকুই দাহ্য পদার্থের গোডাউনে পরিণত হয়েছে। ছোট-বড় দোকান ও গোডাউনে তো বটেই, দাহ্য পদার্থ রাখা হতো এমনকি বাসা-বাড়িতেও। প্লাস্টিকের কারখানার পাশাপাশি পারফিউমেরও অসংখ্য কারখানা ছিল সেখানে যেগুলোকে অগ্নিকাণ্ডের অন্যতম কারণ বলা হয়।

পুরান ঢাকার চকবাজারের মনুষ্যসৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি আমাদেরকে আবারো নিমতলীর ট্রাজেডির কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীর অগ্নিকাণ্ডে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ জীবন দিয়েছিল। আর এবার চকবাজারে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৮০ জন মানুষ। নিমতলী থেকে চকবাজার দূরত্ব এক যুগের নয়, মাত্র নয় বছরের। অসংখ্য মানুষের নির্মম মৃত্যুতে শুধু স্বজন হারারাই কাঁদছেন না, কাঁদছে সারা দেশের মানুষ। এই মর্মান্তিক ঘটনা এটাই প্রথম তা কিন্তু নয়! রাজধানীতে এ ধরনের বহু ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটেছে। ২০১০ সালের ৩ জুন রাজধানীর পুরান ঢাকার নবাবকাটরার নিমতলীতে স্মরণকালের ভয়াবহ আগুনের লেলিহান শিখা কেড়ে নিয়েছিল ১২০টি প্রাণ। ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশন অগ্নিকাণ্ডে ১১৩ জন প্রাণ হারান, ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর ঢাকাস্থ হা মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট স্পোর্টস কারখানায় আগুনে পুড়ে মারা যায় ২৪ জন। একই সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুরের গরীব অ্যান্ড গরীব সোয়েটার ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগে মারা যায় ২৫ জন। ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর রাজধানীর হাজারীবাগের বউ বাজার বস্তিতে আগুনে মারা যান ১১ জন। ওদিকে ২০০৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের কেটিএস কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলে আগুন লেগে মারা যায় ৯১ জন। ফায়ার সার্ভিসের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১২ সালের পর থেকে বাংলাদেশে ৮৮ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রাণহানি হয়েছে ১৪০০ জন, আহত হয়েছে অন্তত ৫,০০০ জন।

গত ২০১০ সালে পুরনো ঢাকার নিমতলী এলাকায় সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটার পর সরকারের বিস্ফোরক পরিদফতরের পক্ষ থেকে যেখানে সেখানে দাহ্য পদার্থের গোডাউনি তৈরি এবং সংরক্ষণ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সরকার সকল দাহ্য পদার্থের দোকান ও গোডাউন সরিয়ে ফেলারও নির্দেশ দিয়েছিল। সে সময় ২৯টি উচ্চ মাত্রার রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের তালিকা তৈরি করা হয়। বিস্ফোরক পরিদফতরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ঢাকা সিটি করপোরেশনকে সঙ্গে নিয়ে সময়ে সময়ে তারা নাকি বিভিন্ন এলাকায় দাহ্য পদার্থের খোঁজে অভিযানও চালিয়েছেন। কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিত করার মতো ব্যবস্থাও নাকি নেয়া হয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছে, অভিযান চালানোর এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার এই দাবি সত্য হলে চকবাজারসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে এত বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থের মজুদ গড়ে তোলা কিভাবে সম্ভব হয়েছে?

তথ্যাভিজ্ঞরা জানিয়েছেন, এমন অবস্থার পেছনে আসলে কর্মকর্তাদের ঘুষ-দুর্নীতি প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নগদ অর্থে ঘুষের বিনিময়ে সব জেনেও কর্মকর্তারা দাহ্য পদার্থ রাখার ও ব্যবহার করার অলিখিত অনুমতি দিয়েছেন। একই কারণে ধীরে ধীরে এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে দাহ্য পদার্থের বিপুল মজুত গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। এর বড় প্রমাণ, যে ভবনটিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় তার মালিকও দাহ্য পদার্থ রাখার লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। অর্থাৎ ওই ভবনেও অবৈধভাবেই দাহ্য পদার্থের মজুদ গড়ে তোলা হয়েছিল।

আমরা বিস্ফোরক পরিদফতর এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনসহ সরকারের পক্ষে দায়িত্বপালনকারীদের ঘুষ-দুর্নীতি এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। সরকারের উচিত, সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া। প্রসঙ্গক্রমে অন্য দুয়েকটি জরুরি বিষয়েও বলা দরকার। সরু রাস্তাঘাট এবং পানির অভাব এরকম দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন বিষয়। ঘটনাপ্রবাহে দেখা গেছে, দমকল বাহিনীর ৩৭টি ইউনিট তৎপরতা চালালেও প্রধানত সরু রাস্তার কারণে ওই এলাকায় গাড়ি নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি হয়েছে পানির জন্য প্রয়োজনীয় পুকুর না থাকার কারণ। এলাকায় পুকুর নেই বলেই দমকল বাহিনীকে অনেক দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আনতে এবং সককীর্ণ রাস্তা দিয়ে বহু কষ্টে প্রবেশ করতে হয়েছে। একই কারণে জনবল থাকা সত্বেও কম সময়ে আগুন নেভানো এবং আগুনের বিস্তার প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি।

এমন অবস্থার পরিপেক্ষিতেই আমরা মনে করি, দাহ্য পদার্থের মজুদ ও ব্যবসা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সরকারের উচিত এ ধরনের প্রতিটি এলাকায় স্থায়ী ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা। এসব স্টেশনে সকল আধুনিক যন্ত্র ও প্রযুক্তিসহ অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় অধিবাসীদের তো বটেই, এসব এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকলকেও আগুন নেভানোর এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এসব হতে হবে বাধ্যতামূলক। প্রতিটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানকেই ফায়ার লাইসেন্স নিতে হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের এলাকাগুলোকে ফায়ার ডিটেকশনের আওতায় আনা দরকার। এর ফলে ছোট-বড় যে কোনো স্থানে আগুন লাগার সঙ্গেই সে সম্পর্কে জানা যাবে এবং এলাকার ভেতরেই ফায়ার স্টেশন থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

আমরা মনে করি, মানুষের জীবন এবং অর্থ-সম্পদ রক্ষার স্বার্থে সরকারের উচিত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে জরুরিভিত্তিক নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া। সরকারকে একই সঙ্গে আরো বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়ার উদ্দেশ্যে বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে এবং সে কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অগ্নিকাণ্ড প্রতিহত করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই, পুরনো ঢাকাসহ রাজধানীর কোনো এলাকায় তো বটেই, দেশের অন্য কোনো অঞ্চলেও যেন আর কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটতে না পারে। যাতে আগুনে পুড়ে মানুষকে অসহায়ভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।

একেকটি দুর্ঘটনার পর আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করতে দেখেছি কিন্তু সেসব তদন্ত রিপোর্ট আর জাতির সামনে উন্মোচিত হতে দেখিনি। এ চরম নির্লজ্জ ব্যর্থতার ক্ষমা স্বজনহারা কোন দিন করবে না। এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। মনে রাখতে হবে একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের জন্য কান্না।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest
Share on telegram
Telegram
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

সর্বশেষ