বুধবার-১৫ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি-৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ-২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকিং সুদ: ইসলামী দৃষ্টিকোণ

ব্যাংকিং সুদ: ইসলামী দৃষ্টিকোণ

ব্যাংকিং সুদ: ইসলামী দৃষ্টিকোণ

মাহফুয আহমদ

আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন- একথা কে না জানে! কুরআনে কারিমের বিভিন্ন আয়াতে এবং হাদিসে নববির অসংখ্য বর্ণনায় স্পষ্টভাষায় সুদ হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। মুসলিম উম্মাহ তখন থেকে এখন সুদ হারাম বলেই জানে এবং বিশ্বাস করে। সর্বোপরি সুদের কুফল, বিষফল ও অনিষ্ট সম্পর্কে অবগত নয়; কোন সে জন? চাই হোক তা মহাজনী সুদ কিংবা বাণিজ্যিক ও ব্যাংকিং সুদ।

তবে সম্প্রতি কিছু মহলে ব্যাংকিং সুদের শরয়ী বিধান নিয়ে নতুনভাবে আলোচনা শুরু হয়েছে। পশ্চিমাদের চিন্তায় প্রভাবিত এবং আধুনিকতার চেতনায় উজ্জীবিত একটি মহল ব্যাংকিং সুদকে বৈধ করার বৃথা চেষ্টা চালাচ্ছে। কতক খোঁড়া যুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকিং সুদের বৈধতার ফতওয়া দিয়ে বেড়াচ্ছে। বক্ষ্যমাণ নিবন্ধে কুরআন ও হাদিসের আলোকে ওইসব লোকের দলিলগুলোর খণ্ডন এবং সন্দেহ-সংশয়ের প্রামাণিক নিরসনের প্রয়াস পাবো ইনশাআল্লাহ।

এক. তারা বলে থাকেন, যেহেতু মহাজনী সুদের দ্বারা গরিবশ্রেণীর ওপর জুলুম ও বেইনসাফি হয় সেজন্য তা হারাম হওয়াই বাঞ্ছণীয়। পক্ষান্তরে ব্যাংকিং সুদের দ্বারা কারো ওপর কোনোরকম অত্যাচার-অনাচার হয় না। কেননা সাধারণত ব্যাংক থেকে বড় অংকের টাকা ঋণ এনে ধনীরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাতে ব্যবহার করে লাভবান হয়। সুতরাং তাদের থেকে সুদ গ্রহণ করা কখনও জুলুমের আওতায় পড়ে না! তাই ব্যাংকিং সুদ বৈধ হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত!!

উপরিউক্ত যুক্তি নিম্নোক্ত দুটি কারণে অগ্রহণযোগ্য।  ক. এখানে তারা ইসলামী শরিয়তে সুদ হারাম হওয়ার ইল্লত (কারণ) ও হেকমত (রহস্য) উভয়কে এক মনে করেছেন। মূলত এটা শরিয়তের উসূল বা মূলনীতি সম্বন্ধে তাদের অজ্ঞতারই পরিচায়ক। কেননা শরিয়তের বিধান ইল্লতের ওপর নির্ভরশীল। যেখানেই ইল্লত পাওয়া যাবে সেখানেই বিধান কার্যকর হবে। পক্ষান্তরে হেকমতের ওপর শরয়ি বিধান নির্ভরশীল নয়। ফলে হেকমতের অনুপস্থিতিতেও বিধান বলবৎ থাকবে। (উসূলুল ইফতা, তকী উসমানী, পৃ. ১২৬) আর শরিয়তে সুদ হারাম হওয়ার ইল্লত হলো, মূলের ওপর শর্ত সাপেক্ষে বিনা বিনিময়ে নির্ধারিত মুনাফা লাভ করা। অন্যদিকে হেকমত হচ্ছে, সমস্ত সম্পদ যেন ধনীদের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়ে যায় এবং গরিবরা নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর না হয়ে পড়ে। মানে একজন অপরজনের ওপর যেন জুলুম ও বেইনসাফি না করে। অতএব আমরা যদি সাময়িকভাবে তাদের কথা মেনেও নিই তবু বলবো, যেহেতু ব্যাংকিং সুদে সুদ হারাম হওয়ার ইল্লত বিদ্যমান তাই হেকমতের অবর্তমানেও তা হারাম হওয়াটাই ইসলামী উসূলের দাবি।

খ. ‘ব্যাংকিং সুদে কারো ওপর জুলুম হয় না’ তাদের একথাটি বাস্তবতা বিবর্জিত। সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাকালে ব্যাংকিং সুদেও অন্যায়-অত্যাচারের কোনো কমতি নেই। চলমান ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দেখা যায়, বড় বড় শিল্পপতিরা ব্যাংক থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন টাকা লোন (ঋণ) এনে বিরাট অংকের মুনাফা অর্জন করে। আর নামেমাত্র কিছু সুদ দিয়ে থাকে; যা প্রকৃতার্থে ব্যাংক ডিপোজিটরদের ওপর স্পষ্ট বেইনসাফি। ধরুন! এক শিল্পপতির নিজের পুঁজি হলো ১০ মিলিয়ন আর ব্যাংক থেকে লোন নিলেন ৯০ মিলিয়ন, মানে মূল প্রজেক্টের ১০ ভাগ নিজের এবং বাকি ৯০ ভাগ ব্যাংক ডিপোজিটরদের। যদি এই প্রজেক্ট বিরাট অংকের মুনাফা অর্জন করে তাহলে এর ন্যূনতম অংশ (২ থেকে ১০ ভাগ স্থান, কাল ও পাত্রভেদে) ব্যাংক ডিপোজিটরগণ পেয়ে থাকেন। তো যারা মূল প্রজেক্টের ৯০ ভাগ পুঁজি যোগান দিল তারা পায় বেশির চেয়ে বেশি ১০ ভাগ আর যে প্রজেক্টের মাত্র ১০ ভাগ বিনিয়োগ করলো সে পায় মুনাফার ৯০ ভাগ! এটা অন্যায় ও বেইনসাফি নয় তো আর কী? বরং অনেক সময় দেখা যায়, ঋণগ্রহীতা শিল্পপতি লক্ষ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করলেও ব্যাংক ডিপোজিটরদের ভাগ্যে কিছুই জুটে না! (বিস্তারিত দেখুন: সুদ পর তারিখি ফয়সালা; তকী উসমানী, পৃ. ৫০-৫১ ও ১১৫-১১৬)

দুই.  তারা বলে থাকেন, কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার যুগে বাণিজ্যিক ও ব্যাংকিং সুদের অস্তিত্বই ছিল না। সেসময় তা ছিল কল্পনাতীত। কেননা সেযুগে লোকজন নিত্যদিনের প্রয়োজনের তাগিদে ঋণ গ্রহণ করত আর কুরআন ও সুন্নায় সেইরকম ঋণের ওপর সুদ নেয়া হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। পক্ষান্তরে ব্যাংকিং সুদ হচ্ছে ইউরোপীয় শিল্পবিপ্লবের পর নবআবিষ্কৃত বিষয়। সুতরাং এটা কুরআন-হাদিসে নিষিদ্ধ সুদের আওতাভুক্ত নয়!

তাদের উপর্যুক্ত যুক্তিটিও বিভিন্ন কারণে ভুল সাব্যস্ত হয়:

প্রথমত: তাদের ধারণামতে কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময় বাণিজ্যিক ঋণের অস্তিত্ব ছিল না।

দ্বিতীয়ত: কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার যুগে যে বস্তুর অস্তিত্ব ছিল না পরবর্তীকালে কুরআন দ্বারা সেটা হারাম সাব্যস্ত হতে পারে না! অথচ এ দুটো কথাই প্রত্যাখ্যাত। কেননা কুরআন যখন কোনো জিনিস হারাম বলে ঘোষণা করে তখন তার মূল বিষয়টাকেই নিষিদ্ধ করে। পরবর্তী সময়ে সেটার আকার-আকৃতি এবং গঠন-প্রকৃতিতে কোনো পরিবর্তন-পরিবর্ধন আসলেও তা হারাম বলেই বিবেচিত হবে। যেমনÑ পবিত্র কুরআন যখন মদ হারাম ঘোষণা দিয়েছে তখনকার সমাজে মানুষ খেজুর ও আঙ্গুর ইত্যাদি থেকেই মদ তৈরি করত। বর্তমানে যদি ভিন্ন কোনো বস্তু থেকেও মদ তৈরি করা হয় তবু সেটা কুরআনে নিষিদ্ধ মদের আওতাধীন হবে বলে সকলেই একমত পোষণ করবেন।

তাছাড়া ‘কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার যুগে বাণিজ্যিক ঋণ এবং তার ওপর সুদ নেয়ার প্রথা ছিল না’ এ ধারণা মূলত হাদিস ও ইসলামী ইতিহাস সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকার কারণেই সৃষ্টি হয়েছে। সেইসময়ও যে এমন ব্যবস্থা চালু ছিল: এখানে তার কয়েকটি দৃষ্টান্ত পেশ করা হলো:

ক. আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ুতী (রহ.) সূরা আল-বাকারার ২৭৮ আয়াতের তাফসিরে লিখেন, এই আয়াত হজরত আব্বাস (রাযি.) এবং বনু মুগিরা গোত্রের একব্যক্তির ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা উভয় প্রাক-ইসলামী যুগে যৌথকারবার করতেন এবং সকিফ গোত্রের লোকদের সুদের ওপর ঋণ দিতেন। (আদ-দুররুল মানসুর, ১/৩৬৬) সুয়ুতী আরও লিখেন, প্রাক ইসলামী যুগে বনু আমর এবং বনু মুগিরা সুদের ভিত্তিতে পরস্পরে ঋণ আদানপ্রদান করত। (প্রাগুক্ত)

খ. বদর যুদ্ধের প্রাক্কালে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে কোরাইশের একটি বাণিজ্যিক কাফেলা সিরিয়ায় গিয়েছিল। এতে ১ হাজার উট তাদের সঙ্গে ছিল। ওই বাণিজ্যিক সফরে তারা শতভাগ লাভবান হয়েছিল। (সুদ পর তারিখি ফয়সালা, পৃ. ৬২) বলাবাহুল্য যে, এতো বড় কাফেলা কোনো ব্যক্তি বিশেষের মালিকানায় হওয়া সম্ভব বা স্বাভাবিক নয়। বরং পুরো গোত্রের মানুষ এতে পুঁজি বিনিয়োগ করেছিল। এজন্য সেটাকে আধুনিক পরিভাষায় ‘জয়েন্ট স্টক কোম্পানি’ বলা যেতে পারে। ঐতিহাসিকগণ লিখেছেন, কোনো কোরাইশি পুরুষ ও নারী এমন ছিল না; যার কাছে এক মিসকাল বা তার চেয়ে বেশি সোনা ছিল আর সে তা কাফেলায় বিনিয়োগ করেনি। (তাফসিরে মাযহারী, ৪/১১)

গ. এ বিষয়ে হজরত জুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাযি.)-এর যে কর্মধারা হাদিস ও সিরাতের গ্রন্থাদিতে পাওয়া যায়- তা অধুনা বিশ্বের ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যশীল। হযরত জুবাইর (রাযি.) তার আমানত ও দ্বীনদারির কারণে সর্বমহলে প্রসিদ্ধ ছিলেন। বড় বড় ধনীরা তার কাছে নিজ আমানত জমা রাখতো এবং প্রয়োজনবশত নিজের আংশিক কিংবা পূর্ণ মুদ্রা নিতে থাকতো। তবে জুবাইর (রাযি.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি লোকদের এ মুদ্রাগুলো আমানত হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি হতেন না। উল্টো তখন তিনি বলে দিতেন, এটা আমানত নয় বরং কর্জ বা ঋণ। (সহীহ আল-বুখারী: ৩১২৯) আল্লামা ইবনে হাজার আল-আসকালানী (রহ.) লিখেন, হযরত জুবাইর (রাযি.)-এর সেই কথা দ্বারা উদ্দেশ্য ছিল এই যে, তিনি আশংকা করতেন কখন জানি মাল ধ্বংস হয়ে যাবে আর লোকেরা ধারণা করবে তিনি সংরক্ষণ করে রাখতে ত্রুটি করেছেন। তাই তিনি মুনাসিব মনে করলেন, আমানতকে কর্য বানিয়ে রাখলে সম্পদওয়ালা বেশি আশ্বস্ত হবে। মুহাদ্দিস ইবনে বাত্তাল (রহ.) এও বলেছেন যে, জুবাইর (রাযি.) এমনটা করতেন যাতে এ মাল দ্বারা ব্যবসা করা এবং মুনাফা অর্জন করা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়। (ফাতহুল বারি, ৬/২৩০) ইতিহাসবিদ আল্লামা ইবনে সাদ (রহ.) লিখেছেন, হজরত জুবাইর (রাযি.)-এর ছেলে আবদুল্লাহ (রাযি.) বলেন, আব্বার শাহাদতের পর আমি হিসাব করে দেখলাম, তার জিম্মায় ২২ লক্ষ দিরহাম কর্জ ছিল। (আত-তাবাকাতুল কুবরা, ৩/১০৯)

এবার একটু ভেবে দেখুন, এতো বড় অংকের টাকা কি শুধু নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ঋণ ছিল! দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলা যায়, সেটা ছিল বাণিজ্যিক ঋণ। এজাতীয় বহু বর্ণনা থেকে আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে, কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময়ও বাণিজ্যিক ঋণ ও সুদের অস্তিত্ব বা প্রচলন ছিল। অতএব তাদের এই যুক্তিটিও অগ্রাহ্য প্রমাণিত হলো। (বিস্তারিত দেখুন: তাকমিলায়ে ফাতহুল মুলহিম, ১/৫৬৯-৬৭৫)

তিন. কখনো তারা বলে থাকেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সুদমুক্ত করলে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থাকবে না। উপরন্তু সেগুলো সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। যার উদ্দেশ্য বিনা লাভে আর্থিক সেবা প্রদান করা।

প্রকৃতপক্ষে এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। শরিয়তের দৃষ্টিতে সুদবিহীন ঋণ একটি নির্দিষ্ট পরিমণ্ডলের জন্য; ব্যাপকভাবে ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য নয়। বরং তা পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের জন্য হয়ে থাকে। তবে যেখানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পুঁজি সরবরাহের প্রশ্ন জড়িত সেখানে ইসলামী শরিয়তের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ দিনকনির্দেশনা বা নীতিমালা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হলো, যে ব্যক্তি অপরকে ঋণ প্রদান করছেন তাকে প্রথমে এ সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, তিনি কি এ ঋণ দ্বারা শুধু দ্বিতীয় পক্ষকে সাহায্য করতে চান নাকি তার মুনাফার অংশীদার হতে চান? যদি তিনি এ ঋণ প্রদানের মাধ্যমে ঋণ গ্রহীতাকে কেবল সাহায্য করতে চান তাহলে তার কাছ থেকে ঋণের পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত দাবি করতে পারবেন না; তার মূল পুঁজি নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। কিন্তু তিনি যদি এই উদ্দেশ্যে পুঁজি সরবরাহ করেন যে, তার ব্যবসায় অর্জিত মুনাফার অংশ নিবেন- এমতাবস্থায় তিনি পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আনুপাতিক হারে অর্জিত মুনাফার অংশ দাবি করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে যদি লোকসান হয়ে যায় তাহলে তাকে উক্ত লোকসানেরও দায় বহন করতে হবে।

সুতরাং এসব থেকে প্রতীয়মান হয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সুদের পরিসমাপ্তির অর্থ এই নয় যে, পুঁজির যোগানদাতা কোনো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন না। বরং যদি ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে পুঁজি যোগান দেওয়া হয় তাহলে লাভ-লোকসানে অংশীদারির ভিত্তিতে এ লক্ষ্য অর্জিত হতে পারে। এজন্যই ইসলামী বাণিজ্য আইনের শুরুতেই মুশারাকা ও মুদারাবা পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। (বিস্তারিত দেখুন: ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থায়ন পদ্ধতি; তকী উসমানী, পৃ. ১৪-১৫) তা-ই যদি হয় তবে কেন ব্যাংকিং সুদকে বৈধ আখ্যায়িত করে দীনের একটি অকাট্য বিধানকে লঙ্ঘন করা হবে? এটা কি দ্বীন তাহরিফ বা পরিবর্তন করার নামান্তর নয়?!

এখানে এই সীমিত পরিসরে ওইসব বন্ধুর মাত্র ৩টি যুক্তি এবং সেগুলোর প্রামাণিক খণ্ডন পেশ করার চেষ্টা করা হলো। আগ্রহী পাঠকমণ্ডলী এবিষয়ে লিখিত স্বতন্ত্র গ্রন্থাবলী অধ্যয়ন করতে পারেন। বিশেষ করে এ যুগের ইসলামী অর্থ ও বাণিজ্যনীতির মুজাদ্দিদ, পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিংয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা, শায়খুল ইসলাম আল্লামা মুহাম্মাদ তকি উসমানি হাফিযাহুল্লাহর ‘সুদ পর তারিখি ফায়সালা’ গ্রন্থটি প্রথম সুযোগেই পড়ে নেয়া উচিত।

লেখক: আলোচক, ইকরা টিভি, লন্ডন

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest
Share on telegram
Telegram
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email
Share on print
Print

সর্বশেষ